মরােয়ান ক্ষমতা দখল করে বিশেষ সুবিধা করতে পারলাে না। চারিদিক থেকে বিদ্রোহের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলাে। কুফার মধ্যে বিদ্রোহটা চরম আকার ধারণ করলাে। কারণ, কুফাবাসীরা হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) কে অগণিত চিঠি লিখে কুফায় আসার আহবান জানিয়েছিল এবং জান মাল দিয়ে সার্বিক সাহায্যের নিশ্চয়তা দিয়েছিল। কিন্তু পরে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল, যার ফলে সেই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। এই বিশ্বাসঘাতকতার জন্য অধিকাংশ কুফাবাসী খুবই অনুতপ্ত ছিল এবং তারা এই কলঙ্ককে কি ভাবে মুছা যায়, কি ভাবে এর প্রায়শ্চিত্ত করা যায়, সেই চিন্তায় মগ্ন ছিল। ধূরন্ধর মুখতার বিন ওবায়দা সক্ফী কুফাবাসীর মনােভাব উপলব্ধি করে হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর রক্তের বদলা নেয়ার শ্লোগান তুললাে, সবাইকে তাঁর সাথে যােগ দেয়ার জন্য আহবান জানাল এবং সে দীপ্ত কণ্ঠে ঘােষণা করল, 'আমি হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর হত্যাকারীদের একজনকেও দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে দেবনা। আমি যদি এরকম না করি, আমার উপর খােদার লানত হােক'। তাঁর এ ধরণের জ্বালাময়ী বক্তৃতা শুনে কুফার অধিকাংশ লোক তার দলে ভিড়ে গেল এবং কুফর সর্বময় কর্তৃত্ব তার হাতে এসে গেল। এরপর সে প্রতিশােধ নিতে শুরু করলাে।
পূর্ববর্তী পেইজ | পরবর্তী পেইজ |
(৩৬) ইয়াজিদের উপর খােদার লানত | (৩৮) যথার্থ প্রতিশােধ |
সূচীপত্র | এরকম আরো পেইজ |